Home Blog Page 4

কিভাবে স্মার্ট হওয়া যায়

যেভাবে স্মার্ট হওয়া যায়ঃ- আমরা সবাই চাই একটু স্মার্ট ভাবে চলার জন্য, এবং স্মার্ট ভাবে কথা বলার জন। এছাড়া বেশিরভাগ লোকই স্মার্ট লোককে পছন্দ করে, আপনি চাকরি করু্‌ কোথাও ঘুরতে যান, কারো সাথে কথা বলুন সর্বপ্রথম আপনার স্মার্টনেস এই ব্যাপারটি সবাই লক্ষ্য করবে, যদি আপনার স্মার্টনেস ভালো হয় তাহলে সকলের কাছে আপনি একজন প্রিয় মানুষ হয়ে উঠতে পারেন।এর জন্য আমি আজ আপনাদের মাঝে কিভাবে স্মার্ট হওয়া যায় তার কিছু সামান্য পরিমাণ টিপস শেয়ার করতে যাচ্ছি।যদি আমার কিছু ভুল হয় তাহলে আপনার আমাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

১. কথাবলা এবং পোশাক আশাক

২. আচার ব্যবহার

৩. খারাপ অভ্যাস

৪. রুচিশীল কাজ করা

৫. মেজাজের ভারসাম্যতা

৬. সৎ এবং সত্যবাদী

১. কথাবলা এবং পোশাক আশাক

মানুষের প্রথম প্রকাশ হয় তার কথায়। আমি জানি অনেকেই বলবেন, তার পোশাকে। দুটোই সঠিক।
কারন, আপনি কোথাও গেলেন, আর কোন কথা না বলে চলে আসলেন, তাহলে সেখানকার লোকেরা বলবেন- এক লোক এসেছেন দেখে মনে হয়না ভদ্রলোক। এর কারন কি? ভদ্র পোশাক ছিল না মানে কি?
কোন পোশাক ভদ্র আর কোন পোশাক অভদ্র? অনেকের ক্ষেত্রেই ঘটেছে, কথা বলার পর মনে হয়েছে ক্ষেত। কমেন্টের পর জানা গেল একজন ক্ষেত এসেছেন।
মোদ্ধা কথা হল মানুষ মানুষকে কথা এবং পোশাক দুই জিনিস দিয়েই মেপে নেয়। কেউ এর আর ভিতরে যেতে চায় না।
তাই সবার আগে উচিত সুন্দর করে কথা বলা। কথা বলার সময় কোন অপ্রাসংগিক মন্তব্য না করা। কারো নেগেটিভ দিক না বলে পজেটিভ দিক বলা।
সম্মান করতে শেখা। বয়সে ছোট হলেও আপনি সম্বোধন করা।
নিজের কথা দিয়ে বুঝিয়ে দেয়া যে আপনি একেবারে নিচু লেভেলের নন। পোশাকের ক্ষেত্রে কমন পোশাক পরা। কালার নির্বাচনের ক্ষেত্রে চকচকে কালার পরিহার করা।
ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন পোশাকের ব্যবহার করা। তবেই একজন দেখলেই আপনার সম্পর্কে ভাল কিছু না বললেও খারাপ কিছু বলার সাহস পাবে না।

২. আচার ব্যবহার

মানুষের পরিচয় তার আচার ব্যবহারে হয়। ভাল মানুষকে মনে রাখেন সবাই। আচার ব্যবহার একজন মানুষকে সর্বোচ্চ স্মার্ট করে তুলতে পারে। তাই আচার ব্যবহারে অনেক বেশি সচেতন হওয়া উচিত।

৩. খারাপ অভ্যাস

অনেকেরই খারাপ কিছু অভ্যাস থাকে। এসবের কারনে তারা নিজেদের অবস্থান হারিয়ে ফেলেন। যেমন- নেশাভান করা, নারীর প্রতি দুর্বলতা, উৎকট পোশাক আশাক ব্যবহার।
অসোভন কিছু করা ইত্যাদি। এসব বাদ দিতে হবে যত দ্রুত পারা যায়। তা না হলে স্মার্ট হতে পারা যায় না।

৪. রুচিশীল কাজ করা

গান শোনা, বই পড়া, কিংবা ভাল মুভি দেখা, চিত্র কর্ম , সামাজিক সহযোগীতা, স্বেচ্ছাসেবিক ইত্যাদি কর্ম একজন মানুষকে অনেক স্মার্ট করে তুলতে পারে। যে যত বেশি স্মার্ট সে তত বেশি রুচিশীল কাজ করেন।

৫. মেজাজের ভারসাম্যতা

মানুষের মেজাজ সবসময় এক থাকে না। স্মার্ট ব্যক্তির মেজাজের কন্ট্রোল থাকবে অনেক বেশি। সেজন্য কিছু না কিছু প্রাকটিজ অর্থাৎ অনুশীলন দরকার।
যোগ ব্যায়াম করে দেখতে পারেন। কাজ না হলে মেডিটেশন পদ্ধতির আশ্রয় নিন। রাগ নিয়ন্ত্রন না করা গেলে জীবনে শুধু স্মার্টনেস ই নয় অনেক কিছুই হারাতে হয়।

৬. সৎ এবং সত্যবাদী

স্মার্ট লোকেরা আজকাল এই অংশটি বাদ দিয়েই স্মার্ট বনে যাচ্ছেন। দেখলে হাসি পায়। যারা নির্ভিক তারাই হয় সৎ এবং সত্যবাদী।
যে নিজের অন্যায় “অন্যায়” হিসেবে জানাতে ভয় পায় সে হয় মিথ্যাবাদী। তাই সত্যবাদী হয়ে স্মার্ট হওয়াটা আবশ্যক।
একজন মিথ্যাবাদী মানুষ যতই স্মার্টনেস অর্জন করুক না কেন, স্থায়ী হন না বেশি দিন। সৎ মানুষের কথা অনেকদিন মানুষ মনে রাখেন।

স্মার্ট হওয়ার জন্য আরো কিছু টিপস দেখতে হলে এখানে ক্লিক করুন

কিভাবে নিজের ব্যক্তিত্ব ধরে রাখবো

ব্যক্তিত্ব ধরে রাখার ৭ উপায়

১. কথা কম বলুন
২. রুচিশীল পোশাক পরুন
৩. অন্যের কথা শুনুন
৪. রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন
৫ মোবাইলে আস্তে কথা বলুন
৫ মোবাইলে আস্তে কথা বলুন
৬ সব বিষয়ে মত প্রকাশে বিরত থাকুন
৭ বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ঠিক রাখুন

১. কথা কম বলুন:

অতিরিক্ত বা বাড়তি কথা বলে অন্যের কাছে নিজেকে বিরক্তিকর করে তুলবেন না। অনেকে কথা শুরু করলে আর থামতে চান না। এতে অন্যের কাছে আপনি বাচাল হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠতে পারেন। সুতরাং কম কথা বলুন এবং প্রয়োজনীয় কথা বলুন। মনে রাখবেন, বুদ্ধিমানরা কম কথা বলে। কম কথা আপনাকে ব্যক্তিত্ববান করে তুলবে।

২. রুচিশীল পোশাক পরুন:

পোশাক অনেক ক্ষেত্রে আপনার রুচি এবং ব্যক্তিত্বের প্রকাশ ঘটায়। সুতরাং পোশাক নির্বাচনে সাবধান হোন। পোশাকে অতিরিক্ত রঙ কিংবা ডিজাইন অনেক সময় আপনাকে অন্যের কাছে হালকা করে তুলতে পারে। সব সময় মার্জিত পোশাক পরবেন। পোশাকে আধুনিক হওয়া ভালো। তবে ডিজাইনে যেন বাড়াবাড়ি না থাকে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। এ ছাড়া সব পরিবেশে সব পোশাক মানায় না। সেদিকেও নজর দিতে হবে। সুন্দর, আধুনিক এবং মার্জিত পোশাক আপনার চমৎকার ব্যক্তিত্বটাই ফুটিয়ে তুলবে।

৩. অন্যের কথা শুনুন:

অনেকে আছেন কেবল নিজের কথা বলতে চান। এ ধরনের অভ্যাস ত্যাগ করুন। এতে চারপাশের মানুষ আপনার ওপর বিরক্ত হতে পারে।
আপনার পাশের মানুষটি কী বলতে চায় মন দিয়ে শুনুন। এতে আপনার প্রতি তার শ্রদ্ধা বাড়বে। আপনি তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ এবং ব্যক্তিত্ববান হয়ে উঠবেন।

৪. রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন:

অনেকে আছেন রাগ নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেন না। যখন-তখন রেগে যান। এ ধরনের আচরণ আপনার ব্যক্তিত্ব নষ্ট করতে পারে। সুতরাং রাগ নিয়ন্ত্রণে রেখে ঠাণ্ডা মাথায় যে কোনো পরিস্থিতি সামাল দিতে চেষ্টা করুন। কথায় কথায় রেগে গিয়ে নিজেকে রগচটা হিসেবে পরিচিত করে তুলবেন না।

৫ মোবাইলে আস্তে কথা বলুন:

আজকাল মোবাইল ফোন আমাদের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। আপনি সব দিক থেকে চমৎকার কিন্তু মোবাইল ফোনে কল এলেই উঁচু গলায় কথা বলেন। এতে আপনার আশপাশে যারা আছেন, তারা বিরক্ত হন এবং আপনাকে ব্যক্তিত্বহীন মনে করেন। মোবাইলে আস্তে কথা বলুন। এতে আপনি অন্যের বিরক্তির কারণ হবেন না। বরং অন্যের কাছে আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী হয়ে উঠবেন।

৬ সব বিষয়ে মত প্রকাশে বিরত থাকুন:

একজন মানুষ সবজান্তা হতে পারে না। সব বিষয়ে তাকে জানতে হবে এমন কোনো নিয়মও নেই। সুতরাং আড্ডা বা যে কোনো রকম আলোচনায় সব বিষয়ে মত দিতে যাবেন না। যে বিষয়ে আপনার জানা নেই, সেটা স্বীকার করে সে বিষয়ে মতামত দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। অহেতুক অজানা বিষয়ে মতামত দিতে গিয়ে অন্যের কাছে হাসির পাত্র হবেন না।

৭ বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ঠিক রাখুন:

বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বা শারীরিক ভাষা ঠিক রাখুন। মানে আপনি যখন চেয়ারে বসবেন তখন কুঁজো হয়ে বসবেন না। মেরুদণ্ড সোজা রেখে বসুন। হাঁটার সময়ও একই বিষয় মেনে চলুন। মাথা উঁচু করে মেরুদণ্ড সোজা রেখে প্রতিটি পদক্ষেপ ফেলুন। এতে কেবল আপনার ব্যক্তিত্বই বাড়বে না একই সঙ্গে আত্মবিশ্বাসও বাড়বে।

জীবনে সবচেয়ে যে জিনিসটা বেশি দরকার

তা হল সেল্ফ মোটিভেশন

মোটিভেশন কি ?
মোটিভেশন দুই রকমের হয়।

১। Intrinsic (অন্তর্নিহিত)
২। Extrinsic (বাহ্যিক)

১। Intrinsic : স্বকীয়। যা প্রাকৃতিকভাবে একজন মানুষের নিজের ভেতর থেকেই আসে। পরীহ্মায় ভালো গ্রেড পাওয়ার জন্য সারারাত পড়াশুনা করা , একটি নির্দিষ্ট লহ্ম্য অর্জনের জন্য নিজের ভেতরের ইচ্ছাশক্তিই ..

২। Extrinsic : অর্থাৎ যখন আমরা একজন মোটিভেশন স্পিকারের কথা শুনে ভা ভিডিও দেখে অনুপ্রেরণা পাই। যেমন অন্য কারো সফলতার গল্প শোনার পর মনে হয় , এটা আমাদেরও করতে হবে।
সহজ কথায়, মোটিভেশন হচ্ছে এমন এক উৎস যা আপনার মন-তাই প্রতিনিয়ত নিজেকে মোটিভেট রাখতে কিছু উপায় আমাদের অবশ্যই জানা প্রয়োজন । তাহলে চলুন দেখে নেয়া যাক সেই উপায়গুলো।

লক্ষ্য নির্ধারণ :

পরীক্ষায় যখন লিখতে দেয়া হয় “তোমার জীবনের লক্ষ্য” রচনা লিখো অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী বেশি নাম্বার পাওয়ার জন্য লিখে ডাক্তার অথবা ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই । একদম মুখস্থ লেখা যাকে বলে। এভাবেই আসলে স্বপ্নগুলোর মৃত্যু হয় , নিজেরাই জানে না কি হতে চায়। সবাই ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়।
বিখ্যাত সেলস ট্রেইনার রাজিব আহমেদ স্যারের বইয়ে লিখেছিলেন, “আপনার পিতার ৫০ কোটি শুক্রাণুর মধ্যে একটি শুক্রাণু বিজয়ী হয়ে আপনার মা’র গর্ভাশয়ে পৌঁছেছিলো, সেই শুক্রাণুটিই আজকের আপনি। সুতরাং, স্রষ্টা আপনাকে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন বিজয়ী করে। আপনি কেন হেরে যাবেন? স্রষ্টা আপনাকে বিজয়ী করে তার কাছে ফেরত নিতে। আপনি যদি হার না মানেন, আপনাকে হারানোর সহ্মমতা কারো নেই।

জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করুন

জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করুন

লক্ষ্য নির্ধারণ তিন রকম হতে পারে :

১। স্বল্প মেয়াদী : এমন কোন লহ্ম্য যা কিছু সপ্তাহ অথবা মাসে অর্জন করা যায়।
২। মধ্যম মেয়াদী : এক অথবা দুই বছর সময় লাগতে পারে এমন কোন লক্ষ্য।
৩। দীর্ঘ মেয়াদী : ক্যারিয়ার প্লান, বাড়ি অথবা গাড়ি কেনা এই ধরনের লক্ষ্যগুলোকে দীর্ঘ মেয়াদী বলা হয়।

সঞ্চয়ী হোনঃ

ধরুন আপনি একটি ব্যবসায় শুরু করলেন, কিছুদিন পর দেখা গেল ব্যবসার জন্য যে টাকাটা আপনার দরকার সেটা আর জোগাড় করতে পারছেন না। এমন অবস্থায় আপনি কাজ করার অনুপ্রেরণা হারাবেন আর কাজ করতেও ইচ্ছা করবে না। তাই অবশ্যই প্রতি মাসে আপনার উপার্জন থেকে কিছু টাকা সঞ্চয় করুন। সঞ্চয় থাকতে আপনি আত্নবিশ্বাস হারাবেন না কখনই নিজেকে সবসময় মোটিভেট রাখতে সঞ্চয়ী হওয়া খুব জরুরী।

ঋণকে না বলুনঃ

নিঃসন্দেহে যে সব মানুষ অনেক বেশি ঋণ নিয়ে থাকেন তারা হতাশায় ভোগেন বেশি। কারণ তাদের উপার্জনের সিংহভাগই চলে যায় ঋণ পরিশোধ করতে। তাই খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া কখনই ঋণ নেবেন না।

ইতিবাচক মানুষের সাথে থাকুনঃ

আরে ধুর, তোকে দিয়ে হবে না। বাদ দে, তুই পারবি না। এই ধরনের নেতিবাচক কথা বলা মানুষের থেকে সব সময় দূরত্ব বজায় রাখুন। পজেটিভ চিন্তার মানুষ বেস্ট মোটিভেটর হয়। যখনই আপনার মনে কোন নেতিবাচক চিন্তা আসবে, এমন একজন পজেটিভ চিন্তা-ভাবনার মানুষের সাথে কথা বলবেন যে আপনার আত্নবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলবে। তাই সবসময় চেস্টা করুন ইতিবাচক চিন্তা করে এমন মানুষের সাথে থাকতে।

ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুনঃ

ভুল আমাদের জীবনের খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। কম বেশি , জেনে বা না জেনে ভুল আমরা সবাই করি । এটা খারাপ কিছু নয়, স্বাভাবিক। কিন্তু সমস্যাটি তখনই হয় যখন আমরা ওই ভুল থেকে শিক্ষা না নিই। পৃথিবীতে যত সফল মানুষ আছেন বা ছিলেন সবার মধ্যে একটা মিল আছে। সেটা হচ্ছে ভুল থেকে শিক্ষা নেয়া। পৃথিবীতে কোন মানুষই ১০০% সঠিক না । ভুল মানুষ করবেই । যারা সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবে তারাই সফলতার দিকে এগিয়ে যেতে পারবে।

অতিরিক্ত দুশ্চিন্তাকে না বলুনঃ

সবসময় অতিরিক্ত চিন্তা করলে নেতিবাচক দিকগুলোই সামনে আসবে। আমরা সবাই জানি যে ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত কিন্তু এর মানে শুধু এই না যে আমরা যা চাচ্ছি ভবিষ্যতে তার চেয়ে খারাপ কিছুই অপেক্ষা করছে। আগামীকাল কি হবে সেটা ভেবে আজকের দিনটা কেন নষ্ট করছেন?
এমনটাও হতে পারে যে, ভবিষ্যতে আমাদের জন্য এত ভাল কিছু অপেক্ষা করছে, যা আমরা কখনো চিন্তাও করিনি। তাই ভবিষ্যতে ভাল কিছুই হবে এই চিন্তা মাথায় রেখে এগুতে হবে।
মেডিসিন এ নোবেলজয়ী ডক্টর Dr.Alexiএকটি কথা বলেন, কথাটা ছিল অনেকটা এ রকম “যে ব্যবসায়ী জানে না কিভাবে দুশ্চিন্তার সাথে যুদ্ধ করতে হয়, সে যুবক অবস্থাতেই মারা যায়।

সুখী থাকতে শিখুনঃ

সমস্যা সবার জীবনেই থাকে কিন্তু তার মানে এই না সেই সমস্যার কথা ভেবে আপনাকে হতাশ হতে হবে। হতাশা, দুশ্চিন্তা কখনই সমস্যার সমাধান হতে পারে না। যত বেশি সমস্যা নিয়ে ভাববেন, ততই নিরাশ হবেন। আপনার এমন হতে পারে আপনি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন, আপনার চাকুরী চলে গিয়েছে কিন্তু একবার ভেবে দেখুন আপনার জীবন কিন্তু শেষ হয়ে যায় নি। এই চিন্তাটাই আমরা করি না। তাই যা হয়েছে সেটা কে মেনে নিন। তাতে আপনি এই পরিস্থিতিটা কে সহজেই জয় করতে পারবেন।

প্রতিটা দিনের পরিকল্পনা করুনঃ

আপনার মোটিভেশন কে ধরে রাখতে প্রতিটা দিনের পরিকল্পনা করুন। দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার পাশাপাশি প্রতিটা দিনের পরিকল্পনা আপনার লক্ষ্য অর্জনে অনেক বেশি সহায়ক হবে। রাতে ঘুমানোর আগে মাত্র ১৫ মিনিট ব্যয় করুন সারা দিনের পরিকল্পনা করতে।
এটি শুধুমাত্র আপনার একটি খসড়া পরিকল্পনা যেন আপনি কি কি করবেন সারাদিন তা মনে রাখতে পারেন। এমন যেন না হয় যে আপনি ঘর থেকে বের হলেন আর আপনি জানেন না যে কোথায় যাবেন আর কি করবেন।

একজন সফল মানুষ হন কয়টি অভ্যাস বাদ দিয়ে

১। সহজেই হতাশ একদমই ঠিক নয়।
২। অন্যের ব্যর্থতা আশা করা ঠিক নয়।
৩। লক্ষ্য ছাড়া কাজ করা একদমই উচিত হবে না।
৪। সময় অপচয় করা..সময়কে কাজে লাগান আর নিজের জীবনকে সুন্দর করে তুলুন।
৫। না ভেবেই কাজ। না ভেবে কাজ করলে সেই কাজে উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম থাযে।
৬। অন্যের উপর সবসময় রেগে থাকা। রাগের মাথায় কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া সঠিক নয়।
৭। নেতিবাচক চিন্তা, কথা ও কাজকর্ম।
৮। সংক্ষিপ্ত পথে লক্ষ্যে পৌছানোর চেষ্টা করা।মনে রাখবেন সময়ের মূল্য অনেক বেশি কিন্তু অল্প সময়ের ভিতর কোন সঠিক কাজে পৌছানো সম্ভব হয় না।
৯। সবকিছুকে নিজের অধিকার মনে করা।
১০। বেশী তত্ত্ব-উপাত্ত জড়ো করা।
১১। পরিবর্তনে ভয়।সবকিছুই পরিবর্তনশীল এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। পরিবর্তনের ভয় করে কোন কাজ থেকে পিছিয়ে আসা একটি বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয় সবকিছুর সাথে নিজেকে পরিবর্তন করে নেওয়াটাই উত্তম।
১২। সবজান্তা মনোভাব।এটা একটি খুব খারাপ মনোভাব এই সমস্যাটা বেশিরভাগ মেয়েদের হয়ে থাকে এটা খুব বড় ধরনের একটা রোগ অনেকে আছে যে সবই জানে এখন কি হবে এই কাজটা করলে পরবর্তীতে কি হবে ওখানে গেলে কি হবে এই ধরনের মনমানসিকতা বাদ না দিতে পারলে বড় কোন ধরনের আশা করাটাই বোকামী ছাড়া আর কিছুই নয়
১৩। অন্যকে দায়ী করা। কোন কিছুতে পুরোপুরিভাবে কনফার্ম না হয়ে অন্য কাউকে দোষ দেওয়া ঠিক নয়,এতে করে নিজের ব্যক্তিত্ব কমে যায়।
১৪। শোনার চেয়ে বেশী বলা।
১৫। পড়াশোনা বন্ধ করে দেওয়া।সব সময় চেষ্টা করবেন আপনি যে বিষয়ের উপরে কাজ করছেন সে বিষয় নিয়ে কোন কিছু পড়াশোনা করা, কারণ পৃথিবীতে সব কিছু কমে যেতে পারে কিন্তু অভিজ্ঞতা কখনো কমে না। আর সেটা পড়াশোনার মাধ্যমে অর্জন করা সহজ।
১৬। সমালোচনা করা।
১৭। অন্যের ক্ষতি করার চেষ্টা করা।এই কাজটা কখনো করবেন না কারণ মানুষের ক্ষতি করতে চাইলে সর্বপ্রথম নিজেরই ক্ষতি হয় বেশি।

আপনি জীবনে যা কিছু চান তা অর্জনের টিপস

অর্জনের টিপস

আপনি জীবনে যা কিছু চান তা অর্জনের টিপস আমি জীবনে আটকে রাখার মতো অচেনা মানুষ নই।
তবে যখন আমি নিজের সংস্থাটি চালু করতে, অন্যদের সাথে প্রেরণাদায়ক মনোবিজ্ঞান এবং প্রশিক্ষণ সম্পর্কে আমার জ্ঞান ভাগ করে নিতে চাইতাম, তখন আমার পক্ষে মনে হয় এতটা সহজ ছিল না।

একটি নতুন ব্যবসা চালু করা সহজ কাজ নয়। অজানা, একটি অনির্দেশ্য অতল গহ্বরের দিকে তাকাতে আপনাকে একটি স্থিতিশীল বেতন যাচাই করতে হবে। প্রচুর জিনিস আমাদের লাফানো থেকে বিরত রাখে ভয় এবং নিরাপত্তাহীনতার মতো জিনিস। এবং সর্বোপরি একটি জিনিস: অনুপ্রেরণা। (motivation)

সম্পর্কিত: আপনার স্বপ্ন অর্জনে আপনাকে সহায়তা করার জন্য অনুপ্রেরণামূলক উক্তঁই

আমি যখন একজন অ্যাথলিট হিসাবে আমার দিনগুলিকে পিছনে ফিরে তাকালাম তখন বুঝতে পারছিলাম কী আলাদা। আমি মনে করি না কী (বা কে) আমাকে নিজের দিকে চাপ দিতে বাধ্য করেছিল এমনকি আমি চাইনি। পার্থক্যটি ছিল, একজন অ্যাথলিট হিসাবে, আমার কাছে কাঠামোর দিন এবং প্রতিবেদনের জন্য একজন কোচ ছিল। কাঠামো আমাদের কেন্দ্রীভূত রাখে এবং একজন কোচ আমাদের ধাক্কা দেয় এবং চ্যালেঞ্জ জানায়।

সৌভাগ্যক্রমে আমি এই পর্যায়ে উত্তীর্ণ হয়েছি এবং আমি অনবোট্রেইন, একটি অনলাইন কোচিং পরিষেবা প্রতিষ্ঠা করেছি যা লোকদের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে পথে আমি শিখেছি সেগুলি সংগ্রহ করতে এবং নিজের মতো করে আরও উন্নত করার চেষ্টা করে আপনার মতো অন্যদের সাথে ভাগ করে নেওয়া। সুতরাং.আপনি জীবনে যা কিছু চান তা অর্জনের জন্য আমার সেরা ৫ টি টিপস

১. অনুপ্রেরণা নয়, প্রতিশ্রুতিবদ্ধতার প্রতি মনোনিবেশ করুন…

আপনি আপনার লক্ষ্যে কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ? এটি আপনার পক্ষে কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি অর্জনের জন্য আপনি কী ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত? আপনি যদি নিজেকে সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে মনে করেন, অনুপ্রেরণা অনুসরণ করবে।

১> আপনার পরিবর্তনে প্রতিদিন কমপক্ষে ১৫ মিনিট ভালো কাজে উৎসর্গ করুন।
২>বাস্তব লক্ষ্য নির্ধারণ করুন।
৩>কখনই প্রতিস্থাপন দূর করবেন না।
৪> উন্নতিলাভের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন খুঁজুন।
৫>আপনার ক্ষমতা কারও হাতে দেবেন না।

২.জ্ঞানের সন্ধান করুন, ফলাফল নয়।

আপনি যদি আবিষ্কারের উন্নতি হন,অন্বেষণ এবং পরীক্ষার উপর মনোনিবেশ করেন তবে আপনার অনুপ্রেরণা সর্বদা জ্বলিত হবে। আপনি যদি কেবলমাত্র ফলাফলগুলিতে মনোনিবেশ করেন তবে আপনার অনুপ্রেরণা আবহাওয়ার মতো হবে। আপনি ঝড়ের সাথে যে মুহুর্তটি নেবেন সেই মুহুর্তে এটি মারা যাবে। তাই মূল উদ্দেশ্যটি হল গন্তব্য নয়, যাত্রায় ফোকাস করা। আপনি কী শিখছেন এবং কীভাবে আপনি উন্নতি করতে পারবেন তা নিয়ে ভাবতে থাকুন।

৩.বদ্ধ চিন্তা ভাবনা থেকে মুক্তি পান।

আপনার চিন্তা ভাবনা অনুভূতি এবং অনুভূতি গুলিকে প্রভাবিত করে আপনি কীভাবে আপনার কাজ দেখছেন তা নির্ধারণ করুন।
আপনার মাথায় প্রচুর চিন্তাভাবনা রয়েছে এবং আপনার সর্বদা একটি পছন্দ রয়েছে যার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা উচিত: যেগুলি আপনাকে আবেগ গত ভাবে আটকে রাখবে (ভয়, সন্দেহ) বা যেগুলি আপনাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে… আমি স্থির করেছি যে আমার চিন্তাভাবনাগুলি সক্রিয়ভাবে পুনরায় প্রোগ্রাম করতে কিছু শক্তিশালী কৌশল ব্যবহার করার সময় এসেছে। আপনিও পারেন।টনি রবিনস বলেছেন আবেগ গতি দ্বারা তৈরি করা হয়। আপনার শারীরিক “অবস্থার” পরিবর্তন আপনার অনুভূতির পরিবর্তন করবে…

এই কাজটা করে দেখুন কিভাবে এটা কাজ করে:


চোখ বন্ধ করে বসুন এবং মাথার উপরে হাত তুলুন।তিন সেট করে আপনার নাক দিয়ে প্রচণ্ডভাবে শ্বাস নিন।প্রতিটি নিঃশ্বাসে মুঠো তৈরি করে আপনার বাহুগুলি নীচের দিকে টানুন।তিনটি সেট করার পরে, কৃতজ্ঞতা এবং স্ব-প্রেম অনুভব করুন।

৪.তোমার কল্পনা শক্তি ব্যবহার কর.

নেতিবাচক চিন্তা থেকে মুক্তি পাওয়ার পদক্ষেপটি আপনার কল্পনাটি ব্যবহার করুন। আপনার আরও বেশি শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন। আপনি যদি কোন খারাপ পরিস্থিতির ভিতরে থাকেন তাহলে,আপনার পরিস্থিতির নাম পরিবর্তন করুন। অনুমান করুন যে এই শব্দগুলি কী উত্সাহিত করবে? এটা কল্পনা করার বিষয়! সর্বাধিক বিরক্তিকর কাজের জন্য আপনি বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ মনিব থেকেও সর্বদা কিছু শিখতে পারেন। কেবল ইতিবাচক বিষয়গুলি চিন্তা করুন এবং বলুন। তারপর কি হয় দেখুন।

মনের সুখী অবস্থা আপনার মস্তিষ্ককে সৃজনশীল চিন্তার জন্য প্রাইমস করে দেয়, সল্কিংয়ের চেয়ে বেশি।আপনি পুনরায় সেট হয়ে গেলে আপনার মেজাজকে বাড়ানোর উপায়গুলি সন্ধান করুন। তারপর দেখুন ম্যাজিক…

৫.বিভ্রান্তি থেকে মুক্তি পান।

অর্থহীন জিনিস এবং বাধা বিঘ্ন সবসময় আপনার পথে থাকবে,এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। জিনিসগুলি আপনি বরং নতুন চ্যালেঞ্জিং এবং অর্থবহ প্রকল্পগুলিতে মনোনিবেশ করবেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টিতে ফোকাস করতে শিখুন। সময় নষ্ট হয় এমন একটি কাজের লিস্ট তৈরি করুন এবং সেগুলি না করার জন্য নিজেকে নিজেকে প্রস্তুত করুন।

যদি বুদ্ধি খরচ করতে না জানো, তবে টাকার থলি থেকে খরচ হবে
If you don’t know how to spend, it will cost you money.

বুদ্ধিমানেরা নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করে না
The wise do not quarrel among themselves.

সবচেয়ে বড় জ্ঞানের পরিচয় হল, তুমি কিছুই জানো না – এটা জানা
The greatest knowledge is that you know nothing – know it.

ভালো মানুষ খুব ধীরে না বলে। বুদ্ধিমান মানুষ চট করে না বলতে পারে
Good people don’t say too slowly. Intelligent people can say no.

যে তার পিতামাতাকে সম্মান করে, তার মৃত্যু নেই
He who honors his parents does not die